ফিরে দেখা ২০০৯ (শেষ পর্ব)

আমরা পিছনে ফেলে এসেছি ২০০৯ সালের ঘটনাবহুল দিনগুলো। ২০১০ সালের প্রথম সোনালী সকাল খুব কাছে থেকে হাতছানি দিয়ে ডাকছে আমাদের এগিয়ে যাবার অনুপ্রেরনা হয়ে। আসুন তবুও একবার পিছনে ফিরে তাকাই, চোখ বুলিয়ে আসি একবার ফেলা আসা দিনগুলোয়।

প্রথম পর্ব ( জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি, মার্চ, ২০০৯)


দ্বিতীয় পর্ব ( এপ্রিল, মে, জুন, ২০০৯)

তৃতীয় পর্ব ( জুলাই, আগস্ট, সেপ্টেম্বর, ২০০৯)

অক্টোবর, ২০০৯

০২ অক্টোবরঃ পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় যুদ্ধবিরোধী শান্তি শোভাযাত্রা নিউজিল্যান্ডের অরলিংটন শহর থেকে শুরু।
০২ অক্টোবরঃ ‘লিসবন চুক্তি’ গৃহীত বিষয়ে আয়ারল্যান্ডে গনভোট অনুষ্ঠিত হয়। গনভোটে ‘লিসবন চুক্তি’ গৃহীত হয়।
০৪ অক্টোবরঃ ‘মোবাইল কোর্ট আইন ২০০৯’ সংসদে পাস।
০৫ অক্টোবরঃ সারা বিশ্বে একযোগে প্রকাশিত হয় জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (UNDP) মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন ২০০৯।
০৬ অক্টোবরঃ ‘স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) বিল ২০০৯’ জাতীয় সংসদে পাস।
১০ অক্টোবরঃ লাহোরে দুই দিনব্যাপী গণমাধ্যমে দক্ষিণ এশীয় নারী (SAWM) শীর্ষক সম্মেলন শুরু।
১০ অক্টোবরঃ সুইজারল্যান্ডের জুরিখে ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষর করে আর্মেনিয়া ও তুরস্ক।
১৩ অক্টোবরঃ ২৯তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত। বিস্তারিত পড়ুন

ফিরে দেখা ২০০৯ (তৃতীয় পর্ব)

আমরা পিছনে ফেলে এসেছি ২০০৯ সালের ঘটনাবহুল দিনগুলো। ২০১০ সালের প্রথম সোনালী সকাল খুব কাছে থেকে হাতছানি দিয়ে ডাকছে আমাদের এগিয়ে যাবার অনুপ্রেরনা হয়ে। আসুন তবুও একবার পিছনে ফিরে তাকাই, চোখ বুলিয়ে আসি একবার ফেলা আসা দিনগুলোয়।

প্রথম পর্ব ( জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি, মার্চ, ২০০৯)

দ্বিতীয় পর্ব ( এপ্রিল, মে, জুন, ২০০৯)

জুলাই, ২০০৯

০১ জুলাইঃ ‘গনতন্ত্রায়নে উচ্চশিক্ষা’ প্রতিপাদ্য নিয়ে পালিত হয় ৮৯তম ঢাকা বিশ্ববদ্যালয় দিবস।
০২ জুলাইঃ আফগানিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলীয় হেলমান্দ প্রদেশে ‘খঞ্জর’ নামে তালেবান বিরোধী অভিযান শুরু করে মার্কিন-আফগান যৌথবাহিনী।
০৪ জুলাইঃ ওএএস হন্ডুরাসের সদস্যপদ স্থগিত করে।
০৭ জুলাইঃ কিংবদন্তী পপ শিল্পী মাইকেল জ্যাকসনের শেষকৃত্য সম্পন্ন।
১০ জুলাইঃ প্রথম আফ্রিকান দেশ হিসেবে ঘানা সফর করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা।

১৩ জুলাইঃ বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট জয়; বিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
১৫ জুলাইঃ মিশরের লোহিত সাগর তীরবর্তী পর্যটন নগরী শারম আল শেখে দুই দিনব্যাপী ন্যাম শীর্ষ সম্মেলন শুরু। বিস্তারিত পড়ুন

ফিরে দেখা ২০০৯ (দ্বিতীয় পর্ব)

আমরা পিছনে ফেলে এসেছি ২০০৯ সালের ঘটনাবহুল দিনগুলো। ২০১০ সালের প্রথম সোনালী সকাল খুব কাছে থেকে হাতছানি দিয়ে ডাকছে আমাদের এগিয়ে যাবার অনুপ্রেরনা হয়ে। আসুন তবুও একবার পিছনে ফিরে তাকাই, চোখ বুলিয়ে আসি একবার ফেলা আসা দিনগুলোয়।

প্রথম পর্ব ( জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ, ২০০৯)

এপ্রিল, ২০০৯

০১ এপ্রিলঃ ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদ শুরু করেন দেশটির দেশটির কট্টর ডানপন্থী দল লিকুদ পার্টি নেতা বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
০১ এপ্রিলঃ ন্যাটো আনুষ্ঠানিকভাবে আলবেনিয়া ও ক্রোয়েশিয়াকে সদস্যপদ প্রদান করে।

০২ এপ্রিলঃ দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ করেন লে. জেনারেল (অব) হাসান মশহুদ চৌধুরী।
০২ এপ্রিলঃ বিশ্বের শিল্পায়িত ও শক্তধর দেশগুলোর ফোরাম ‘গ্রুপ টুয়েন্টি’ (জি ২০) এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলন শুরু হয় লন্ডনের ডক্সল্যান্ড এক্সেল সেন্টারে।
০৩ এপ্রিলঃ সুনামগঞ্জে শুরু হয় দুই দিনব্যাপী শাহ আব্দুল করিম উৎসব।
০৪ এপ্রিলঃ দেশের ৩০ ও ৩১তম বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে রংপুর বিশ্ববিদ্যালয় ও পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।
০৬ এপ্রিলঃ উপজেলা চেয়ারম্যানদের সীমিত ক্ষমতা এবং সংসদ সদস্যদের নিরুঙ্কুশ ক্ষমতা দিয়ে বহুল আলোচিত উপজেলা পরিষদ (রহিত আইন পুনঃপ্রচলন ও সংশোধন) বিল ২০০৯ জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতভাবে পাস হয়। বিস্তারিত পড়ুন

ফিরে দেখা ২০০৯ (প্রথম পর্ব)

আমরা পিছনে ফেলে এসেছি ২০০৯ সালের ঘটনাবহুল দিনগুলো। ২০১০ সালের প্রথম সোনালী সকাল খুব কাছে থেকে হাতছানি দিয়ে ডাকছে আমাদের এগিয়ে যাবার অনুপ্রেরনা হয়ে। আসুন তবুও একবার পিছনে ফিরে তাকাই, চোখ বুলিয়ে আসি একবার ফেলা আসা দিনগুলোয়।

জানুয়ারি, ২০০৯

০১ জানুয়ারিঃ কমিউনিস্ট রাষ্ট্র কিউবা বিপ্লবের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করে।
০৩ জানুয়ারিঃ আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে শপথ নেন নবম জাতীয় সংসদে মহাজোটের নবনির্বাচিত ২৫৮ জন জন সংসদ সদস্য।
০৪ জানুয়ারিঃ ড. ফখরুদ্দীন আহমেদের নেতৃত্বাধীন তত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের শেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

০৬ জানুয়ারিঃ দেশের ত্রয়োদশতম সরকার প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহন করেন শেখ হাসিনা। এরপর তার মন্ত্রিসভার ৩১ জন সদস্য শপথ নেন।
বিস্তারিত পড়ুন

By শেখ আমিনুল ইসলাম Posted in বিভাগবিহীন

শুভ বড়দিন

“যারা তোমাদের জুলুম করে তাদের ক্ষতি চেয়ো না বরং ভাল চেয়ো। যারা আনন্দ করে তাদের সঙ্গে আনন্দিত হও; যারা কাঁদে তাদের সঙ্গে কাঁদ। তোমাদের একের প্রতি অন্যের মনভাব যেন একই রকম হয়।……” রোমীয় ১২:১৪-১৬

আজ থেকে প্রায় দুই হাজার বছরেরও অধিক আগে খ্রিস্টপুর্ব ৭-২ সালে মহামানব মানবদরদী ঈসা মাসীহ জন্ম গ্রহন করেন বেথেলহামের এক জীর্ণ গোশালায়। স্বর্গবাসী হন মাত্র ৩৬ বছর বয়সে ৩০ খ্রিস্টাব্দে। তিঁনি সারাটা জীবন মানুষের মুক্তির জন্য কাজ করে গেছেন। উর্ধে তুলে ধরতে চেয়েছেন মানব আত্নার শ্রেষ্ঠত্বকে। মানুষে মানুষে বাঁধতে চেয়েছেন প্রেমের বাঁধনে। যেখানেই মানুষ কষ্টে আছে, রোগে শোকে আছে, কুঃসংস্কারে পড়ে আছে, তিঁনি ছুটে গেছেন সেখানেই। বিস্তারিত পড়ুন

আজ মুহম্মদ জাফর ইকবাল স্যারের শুভ জন্মদিন


২০০৫ সালের ফেব্রুয়ারীর কথা। আমার তখন প্রথম বর্ষের সমাপনী পরীক্ষা চলছিল।হলে থাকি।রাত জেগে পড়ার কারনে ঘুম থেকে উঠতাম বেশ বেলা করে। সকালের খাবার খেতে খেতে ১১টা বাঁজতো। সেদিন সম্ভবত ছিল শুক্রবার। প্রতিদিনের মত পুকুরপাড়ের দোকানগুলোতে গিয়েছি সকালের খাবার খেতে। চোখে তখনও ঘুম ঘুমভাব। একেবারে কোণার দোকানটার বেঞ্চে সাত আট জন বাচ্চা ছেলে মেয়ে আর দুই জন মধ্যবয়সী পুরুষ ও মহিলা বসে গল্প করছিল। হাসিতে আনন্দে বেশ জমে উঠেছিল আড্ডাটা। হঠাৎ একটা পিচ্চি মেয়ে গান গেয়ে উঠলো, “আলো আমার আলো ভুবন ভরা……”। আমি খুব মুগ্ধ হয়ে তাকালাম সেই আড্ডার মানুষগুলোর দিকে। লোকটার দিকে ভালো করে তাকাতেই আমার চোখ আটকে গেল। খুব মায়াবী সৌম চেহারা। কোথায় যেন দেখেছি। জাফর ইকবাল স্যারের মত লাগছে না? নিজেকেই প্রশ্ন করি। তাই তো, স্যারই তো! নিজের হাতে চিমটি কেটে দেখি, আমি কি এখনো ঘুমোচ্ছি? না, জেগেই আছি।পাশের জন নিশ্চয় ইয়াসমিন আপা। খুব ইচ্ছে করছিল স্যারের সামনে যাই। সালাম দিয়ে আসি। আবার ভয়ও করছিল, অতবড় মানুষ। কী ভাববে? মনকে যতই বুঝাই, না মন মানতে চায় না। মনে দ্বিধা নিয়ে গুটি গুটি পায়ে স্যারের সামনে গেলাম। সালাম দিলাম। বললাম, স্যার কেমন আছেন? স্যার খুব সুন্দর করে হাসলেন। স্যারের এই হাসিটা আমার অনেক পরিচিত। তাঁর বইয়ের মলাটের পিছনে কত দেখেছি! খুব ইচ্ছে করছিল স্যারকে একটু ছুঁইয়ে দেখি। স্যার বললেন, আমি ভালো আছি। তুমি কেমন আছো? আমার চোখে জল চলে আসতে চাইছিল। অনেক কষ্টে আটকালাম। কী পবিত্র মানুষটা! কত সহজে মানুষকে আপন করে নেয়। স্যারের সাথে কয়েকটা কথা বলে চোখের জল লুকোনোর জন্য একরকম পালিয়ে আসলাম। দূরের একটা বেঞ্চিতে বসে স্যারকে দেখলাম। তাঁর উচ্ছলতা, সরলতা, শিশুদের জন্য মায়া আমাকে খুব মুগ্ধ করছিল। স্যার যতখন সেখানে ছিল, আমিও ছিলাম। এরপর স্যার তাঁর পিচ্চি বাহিনী নিয়ে কার্জন হলের দিকে আগালো। আমি চেয়ে রইলাম, যতখন তাঁদের দেখা যায়। বিস্তারিত পড়ুন

শুভ বিজয় দিবস, ২০০৯

আর কিছুক্ষন পরেই পুর্বাশার আলো ফুটতে শুরু করবে। একটু একটু করে পথে নামবে মানুষ। মেয়েরা শাড়ী পড়বে, ছেলেরা পড়বে পাঞ্জাবি পায়জামা। শিশুরা সুন্দর সুন্দর পোষাক পড়ে নির্মল আনন্দ নিয়ে পথে নামবে বড়দের সাথে। কেউ কেউ ফুলের মত নিষ্পাপ মুখখানায় জাতীয় পতাকা আঁকবে। অনেকের হাতেই থাকবে প্রিয় জাতীয় পতাকা।

অন্য দিনটার চেয়ে আজকের দিনটা বাঙালিদের কাছে আলাদা। আজকে আমাদের আবেগের দিন। আজকে আমাদের আনন্দের দিন। আজ থেকে ৩৮ বছর আগে এমন একটি সকালে আমরা পেয়েছিলাম আমাদের প্রিয় পতাকা, প্রিয় স্বাধিনতা। ওই দূর থেকে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষন কানে বাজঁছে। কত বার শুনেছি এই ভাষনটা। প্রতিবারই আমার কাছে নতুন মনে হয় কথাগুলো। মনে হয় সুমধুর কোন শিল্পী গাইছে তার অমর কোন গান। খুব আগ্রহ নিয়ে আমি শুনি মহাকবির এই অমর কবিতাখানি। আমি যেন ভেসে যাই অগ্নিঝরা সেই দিনগুলোয়। নিজেকে একজন মুক্তিযোদ্ধা ভাবতে ইচ্ছে করে। বিস্তারিত পড়ুন

Pterophyllum_altum

স্বাদু পানির এঞ্জেল ফিস

স্বাদু পানির “এঞ্জেল ফিস” নামটি যেমন সুন্দর, মাছটি দেখতেও তেমনই খুব সুন্দর। দক্ষিন আমেরিকার আমাজান নদী (Amazon River), অরিনোকো নদী (Orinoco River) এবং এসেকুইবো নদীতে (Essequibo River) এদের প্রাচুর্যতা দেখা যায়। এই মাছের সাধারনত তিনটি প্রজাতি দেখতে পাওয়া যায়। এগুলো হল Pterophyllum scalare, Pterophyllum altum এবং Pterophyllum leopoldi

মাছটি আমাদের দেশের রূপচাঁদা মাছের মত পার্শ্বীয়ভাবে খুব চ্যাপ্টা, দেহ গোলাকার এবং পৃষ্ঠ ও পুচ্ছ পাখনা দীর্ঘ ত্রিকোনাকৃতির। মাছের এই আকৃতি, একে পানিতে নিমজ্জিত গাছ এবং এদের গোড়ায় লুকিয়ে থাকতে সাহায্য করে। মাছটির দেহে আড়াআড়ি তিনটা লম্বা রঙীন দাগটানা থাকে, এতে মাছটিকে গাছের বাকল বা লতাপাতার মত দেখায়। এর ফলে মাছটির লুকিয়ে থাকতে (camouflage) সুবিধা হয়। এরা অ্যামবুশ (ambush) করে শিকার ধরে থাকে। এদের খাবার সাধারনত ছোট মাছ ও অন্যান্য ছোট অমেরুদন্ডী প্রাণী। এরা জীবন সঙ্গীনি হিসেবে সারাজীবনের জন্য একটি মাছকেই বেছে নেই। এরা সাধারনত ডুবন্ত গাছের গুড়ি, বাকল অথবা ভাসমান কোন পাতায় ডিম পাড়ে।

বিস্তারিত পড়ুন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণহত্যা

গনহত্যাঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ১৯৭১

৫২ এর ভাষা আন্দোলন, ৫৪ এর যুক্তফ্রন্টের বিজয়, ৬৬ এর ছয়দফা আন্দোলন, ৬৮ এর আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা বিরুদ্ধে সর্বদলীয় ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের আন্দোলন, ৬৯ এর গন অভ্যুথ্থান, ৭০ এর নির্বাচনে বিজয়, ৭১ এর অগ্নিঝরা মার্চের অসহযোগ আন্দোলনসহ সকল গন্তান্ত্রিক এবং স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রাণকেন্দ্র ছিল আমাদের প্রিয় এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। তাই ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালো রাতে বাঙালিদের দমনের অভিযান অপারেশন সার্চ লাইট শুরু হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আক্রমনকারী পাকিস্তান বাহিনীতে ছিল ১৮ নং পাঞ্জাব, ২২ নং বেলুচ, এবং ৩২ নং পাঞ্জাব রেজিমেন্টের বিভিন্ন ব্যাটেলিয়ন। ২৫ মার্চের রাত থেকে ২৭ মার্চ সকাল পর্যন্ত এ বিশেষ মোবাইল বাহিনী স্বয়ংক্রিয় রাইফেল, ট্যাংক বিধ্বংসী বিকয়েললস রাইফেল, রকেট লাঞ্চার মার্টার ভারি ও হালকা মেশিনগানে সজ্জিত হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঘিরে ফেলে। পশ্চিম দিক থেকে রেললাইন জুড়ে ৪১ ইউনিট, দক্ষিণ দিক জুড়ে ৮৮ ইউনিট এবং উত্তর দিক থেকে ২৬ ইউনিট কাজ শুরু করে। শুরু হয় বিশ্বের মানব ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়ানক ও ভয়ংকর গনহত্যা। তারা একে একে হত্যা করে আমাদের দেশের সূর্য সন্তান আমাদের শিক্ষক, আমাদের ছাত্রদের। এখনেই শেষ হয়ে যায় নি ইতিহাসের ঘৃণ্য এই গনহত্যা। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি যখন আমাদের স্বাধীনতার সূর্য উদীয়মান, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসর রাজাকার, আল বদর, আল শামছরা শুরু করে দ্বিতীয় দফা গনহত্যা। ১৪ ডিসেম্বর তারা আমাদের জাতিকে মেধাশুন্য করার মানসে একে একে বাসা থেকে তুলে নিয়ে হত্যা করে আমাদের শিক্ষক, সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবী সূর্যসন্তানদের। বিস্তারিত পড়ুন

মান্দারিন ফিস

মান্দারিন ফিস

মান্দারিন ফিস দেখতে ছোট, উজ্জ্বল বর্ণের ড্রাগনেট পরিবারের মাছ। প্রশান্ত মহাসাগরের রিয়ুকু দ্বীপে (Ryukyu Islands ) (জাপান)এই মাছের প্রাচুর্যতা দেখা যায়। এই মাছের দুটি প্রজাতি দেখতে পাওয়া যায়। Synchiropus splendidus প্রজাতি দেখতে নীল রঙের। ত্বকের Cyanophore নামক Chromatophores  বর্ণকণিকার কারনে এরা নীল রঙের হয়। এদের ত্বকে আরো আছে আলো প্রতিফলনকারী কোষ, যা এই মাছকে করে তোলে আকর্ষণীয়। এদের আরেকটি প্রজাতির নাম S. picturatusবিস্তারিত পড়ুন