গল্পঃ রূপার কাঁকন

১.
- ও ময়না! মেল টেরেন জাতিছে না কি রে! কিসের শব্দ হতিছে ভাল কইরে শুইনে দ্যাকদিনি!

চুলোতে শুকনো পাতা গুজে দিতে দিতে বলে চলে মমতা। লিচু গাছটার ছায়ায় বসে একমনে পুতুল খেলছে তাঁর চার বয়সী মেয়ে ময়না।
- দেকতি দেকতি কেমন কইরে দুটো বেঁইজে গেইল। কালের দিনে বেলা মেলা তাড়াতাড়ি ছুইটে যায়।

ময়না মায়ের দিকে জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তাঁকায়।
-মা! আমারে কি ডাকিছেন?
-হ। তর কি বেশি খিদা লাগিছে? একনও তো ভাত ফুটে নাইরে মা! বিস্তারিত পড়ুন

লে. জে. এ এ নিয়াজির একটি দুর্লভ সাক্ষাতকার

(১৯৭১ সালে পাকিস্তানের পরাজয়ের কারন অনুসন্ধানে গঠিত হামূদুর রহমান কমিশনের আংশিক রিপোর্ট পাকিস্তানে ২০০১ সালে সরকারিভাবে প্রকাশিত হয় (এই সম্পর্কিত আমার পূর্বের পোস্টটি দেখুন)।এটি প্রকাশিত হবার পর থেকেই পাকিস্তানের অভ্যন্তরে ১৯৭১ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে সংগঠিত যুদ্ধাপরাধ ও গনহত্যা ও পাকিস্তানের ভাঙনের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনার জন্য জন-সাধারনের চাপ বাড়তে থাকে। এরই প্রেক্ষিতে ১৯৭১ সালে যুদ্ধের সময় তৎকালীন পাকিস্তান ইস্টার্ন কমান্ডের কমান্ডার, লেফটেনান্ট জেনারেল আমীর আব্দুল্লাহ খান নিয়াজি ২০০১ সালের ডিসেম্বর মাসে rediff.com এর মালিকানাধীন সর্বাধিক প্রচারিত ইন্দো-আমেরিকান সংবাদপত্র India Abroad এ একটি সাক্ষাতকার দিয়েছিলেন। বিস্তারিত পড়ুন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

শত বর্ষে গীতাঞ্জলি

অনেকটা নিরবেই শতায়ু হতে চলেছে কবিগুরুর অমর এই সৃষ্টি।গীতাঞ্জলিকে ঘিরে বাংলা সাহিত্যে যতটা উচ্ছাস, আলোচনা ও গবেষনা হয়েছে ও হচ্ছে, অন্য কোনো গ্রন্থ নিয়ে এতটা আর হয় নি।শত বর্ষ পরেও গীতাঞ্জলির প্রতিটি গান/কবিতা একই রকম আবেদন সৃষ্টি করে।এক অদৃশ্য টানে পাঠককে মোহিত করে!এই অদৃশ্য টানের মূল সুর ঈশ্বর প্রেম, ঈশ্বরস্বত্তায় নিজেকে বিলীন করা, ঈশ্বরের মাঝে নিজেকে নিঃশর্ত আত্নসমর্পন!গীতাঞ্জলির মূল সুর ইশ্বরমুখিতা হলেও তা কোনো সম্প্রদায়-বিশেষের নয়।বিশ্বের বিশালতা ও প্রকৃতির সৌন্দর্য থেকে উৎসারিত এক আধ্যাত্নবোধের সঙ্গে এই বিশ্বাসযুক্ত।

গীতাঞ্জলি কবিগুরুর ১৫৭টি গান/কবিতার সংকলন।গানগুলি রচিত হয় ১৯০৮-০৯ সালে এবং শান্তিনিকেতন থেকে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় আগস্ট,১৯১০ (ভাদ্র,১৩১৭ বঙ্গাব্দ) খৃস্টাব্দে। বিস্তারিত পড়ুন