মৌলানা আজাদ

বুক রিভিউঃ ইন্ডিয়া উইনস ফ্রিডম, মৌলানা আবুল কালাম আজাদ

“ইন্ডিয়া উইনস ফ্রিডম” বইটি মৌলানা আবুল কালাম আজাদের আত্নজীবনীমূলক রচনা হলেও, ভারতীয় ইতিহাসের পাতায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে।ব্রিটিশদের হাত থেকে ভারতীয়দের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে মৌলানা আজাদের অন্যতম প্রধাণ ভূমিকা ছিল। এই গ্রন্থে তিনি ভারত-ভাগের পটভূমিসহ ১৯৩৫-৪৮ সাল পর্যন্ত ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনাবলীর অত্যন্ত নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ বর্ণনা দিয়েছেন।অনেক ইতিহাসবিদের কাছেই বইটি ভারতবর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রামের একটি নির্ভরযোগ্য দলিল হিসেবে অনন্য স্থান করে নিয়েছে।

মৌলানা আবুল কালাম আজাদ ছিলেন একাধারে ভারতবর্ষের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক, ভারতীয় উপমহাদেশের আধুনিক সংবাদপত্র ধারার রূপকার, কবি, দার্শনিক ও শিক্ষা-সংস্কারক। ১৯২৩ সালে মাত্র ৩৫ বছরে তিনি নিখিল ভারত কংগ্রেসের কনিষ্ঠতম সভাপতি নির্বাচিত হন। বিস্তারিত পড়ুন

ভারতে ব্রিটিশ শাসন (তৃতীয় পর্ব)

প্রথম পর্ব
দ্বিতীয় পর্ব
ব্রিটিশ রাজের শাসন (১৮৫৮-১৯৪৭)
লর্ড ক্যানিং

লর্ড কানিং (Lord Canning) (১৮৫৬-৬২) বিস্তারিত পড়ুন

ভারতে ব্রিটিশ শাসন (দ্বিতীয় পর্ব)

প্রথম পর্ব
কোম্পানি শাসন (১৭৭০-১৮৫৮)
ওয়ারেন হেস্টিংস


ওয়ারেন হেস্টিংস (Warren Hastings) (১৭৭২-৮৫) বিস্তারিত পড়ুন

ভারতে ব্রিটিশ শাসন (প্রথম পর্ব)

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ১৬১২ সালে ভারতে প্রথম তাদের বানিজ্য কুঠি স্থাপন করে।এর পর দেড়শ বছর ধরে মুঘল সম্রাটের অনুমতিক্রমে ভারতের বিভিন্ন স্থানে তাদের ব্যবসা বানিজ্যের বিস্তার ঘটান। এই সময় মূলত তাদের ব্যবসায়িক প্রতিদ্বন্দী ছিল ইউরোপ থেকে আসা অন্যান্য কোম্পানি। ১৭০৭ সালে মুঘল সাম্রাজ্যের ক্ষমতাহ্রাস ও ১৭৫৭ সালে পলাশী যুদ্ধে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বিজয়, কোম্পানিকে ক্রমশ সাম্রাজ্য বিস্তারে মনোযোগী করে তোলে। উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে এসে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারতীয় উপমহাদেশের শ্রেষ্ঠ রাজনৈতিক ও সামরিক শক্তিতে পরিনত হয়। ফলশ্রুতিতে এর সমস্ত সম্পত্তিকে ব্রিটিশ রাজের সম্পত্তি হিসেবে অধিভুক্ত করা হয়।

ফোর্ট উইলিয়াম , কোলকাতা ১৮০৭

বিস্তারিত পড়ুন

লে. জে. এ এ নিয়াজির একটি দুর্লভ সাক্ষাতকার

(১৯৭১ সালে পাকিস্তানের পরাজয়ের কারন অনুসন্ধানে গঠিত হামূদুর রহমান কমিশনের আংশিক রিপোর্ট পাকিস্তানে ২০০১ সালে সরকারিভাবে প্রকাশিত হয় (এই সম্পর্কিত আমার পূর্বের পোস্টটি দেখুন)।এটি প্রকাশিত হবার পর থেকেই পাকিস্তানের অভ্যন্তরে ১৯৭১ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে সংগঠিত যুদ্ধাপরাধ ও গনহত্যা ও পাকিস্তানের ভাঙনের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনার জন্য জন-সাধারনের চাপ বাড়তে থাকে। এরই প্রেক্ষিতে ১৯৭১ সালে যুদ্ধের সময় তৎকালীন পাকিস্তান ইস্টার্ন কমান্ডের কমান্ডার, লেফটেনান্ট জেনারেল আমীর আব্দুল্লাহ খান নিয়াজি ২০০১ সালের ডিসেম্বর মাসে rediff.com এর মালিকানাধীন সর্বাধিক প্রচারিত ইন্দো-আমেরিকান সংবাদপত্র India Abroad এ একটি সাক্ষাতকার দিয়েছিলেন। বিস্তারিত পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা ও প্রামাণ্য কিছু দলিল

মীর জাফর, ঘষেটি বেগম গংদের ষড়যন্ত্রের কারনে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজ উদ্দৌলার পরাজয়ের মাধ্যমে ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর আম্রকাননে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয় ব্রিটিশ বেনিয়াদের কাছে। সেই ২৩ জুন থেকেই আবার শুরু হয় চির স্বাধীনতাকামী বাঙালিদের প্রতিরোধ সংগ্রাম, মুক্তির সংগ্রাম। ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ, নীল বিদ্রোহ, ফরায়েজী আন্দোলন, শহীদ তিতুমীরের বাঁশের কেল্লা নির্মান করে প্রতিরোধ যুদ্ধ, ১৯৪৭ সালের ভারত-ভাগ, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ এর যুক্তফ্রন্টের বিজয়, ১৯৬৬ এর ছয় দফা, ১৯৬৯ এর গন-অভ্যুত্থান, ১৯৭০ এর নির্বাচনে বিজয়, ১৯৭১ এর রক্তঝরা মার্চের অসহযোগ আন্দোলন, ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ, ২৫ মার্চের গন-হত্যা ও ইপিআরের প্রতিরোধ; এভাবেই ধাপে ধাপে এগিয়েছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম। বিস্তারিত পড়ুন