পেশাগত গাম্ভীর্য নিয়ে পুলিশ অফিসারটি তাঁর টহল পথে পা ফেলে এগিয়ে চলেছে। মানুষকে দেখানোর জন্য নয়, এই গাম্ভীর্যটা তাঁর অভ্যেস, কেননা আশেপাশে দেখবার মতো তেমন কেউ ছিল না। সময় বেশি হয় নি, বড় জোর রাত দশটা, কিন্তু তীব্র আকস্মিক ঝড়ো হাওয়া আর হালকা বৃষ্টির জন্য রাস্তাটা জনশূণ্য হয়ে পড়েছে।
পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় এক একটা দরজা পরখ করে দেখছিল সে, কখনো কখনো তাঁর হাতের লাঠিটি দুর্বোধ্য ও বেয়াড়াভাবে আন্দোলিত হচ্ছিল, ইতস্ততভাবে ঘাড় ফিরিয়ে সতর্ক দৃষ্টিতে দেখছলি প্রশান্ত রাজপথকে, তিনি অফিসার, তাঁর স্থিরপ্রতিজ্ঞ মূর্তি ও মৃদু হামবড়াভাব সব মিলিয়ে শান্তির দেবদূতের সুন্দর একটা প্রতিচ্ছবি যেন ফুটে উঠেছে। মাঝে মাঝে দুই একটা চুরুট স্টোর বা সারা রাত্রী খোলা খাবারের দোকানের আলো চোখে পড়ে, কিন্তু অনেক আগেই বন্ধ হয়ে গেছে অধিকাংশ ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানের দড়জা। বিস্তারিত পড়ুন
ওয়াশিংটন স্কয়ারের পশ্চিমে এক ছোট জেলা, যেখানে রাস্তাগুলো অনিরাপদভাবে ছুটে চলেছে এবং ভেঙে ভেঙে নিজেদের ভিতরে ছোট ছোট ‘গলি’ তৈরী করেছে। এই গলিগুলোতে গড়ে উঠেছে অদ্ভুত সব কোণা কানছি আর বাঁক। একটি রাস্তা নিজের উপর দিয়ে এক দুইবার করে অতিক্রম করে গেছে। একবার এক চিত্রশিল্পী এই রাস্তাটির মাঝে এক মূল্যবান সম্ভাবনা আবিষ্কার করে বসলেন। মনে করুন, একজন সংগ্রাহক রঙ, কাগজ এবং ক্যানভাসের জন্য বিল সাথে নিয়ে এই পথের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে, হঠাৎকরে দেখল সে আগের জায়গায়ই ফিরে এসছে, এর জন্য তাকে এক পয়সাও খরচ করতে হয় নি!