আম আঁটির ভেঁপু

নিন্দুকেরে বাসি আমি সবার চেয়ে ভালো…

জহির রায়হান

জহির রায়হান

প্রথম প্রথম কাউকে মরতে দেখলে ব্যথা পেতাম। কেমন যেন দুর্বল হয়ে পড়তাম। কখনও চোখের কোণে একফোঁটা অশ্রুও হয়ত জন্ম নিত। এখন অনেকটা সহজ হয়ে গেছি। কী জানি, হয়ত অনুভূতিগুলো ভোঁতা হয়ে গেছে। তাই মৃত্যুর খবর আসে। মরা মানুষ দেখি। মৃতদেহ কবরে নামাই। পরক্ষণে ভুলে যাই।

রাইফেলটা কাঁধে তুলে নিয়ে ছোট্ট টিলাটার ওপরে এসে দাঁড়াই। সামনে তাকাই। বিরাট আকাশ। একটা লাউয়ের মাচা। কচি লাউ ঝুলছে। বাতাসে মৃদু দুলছে। কয়েকটা ধানক্ষেত। দুটো তালগাছ। দূরে আর একটা গ্রাম…….

এই লাইনগুলো জহির রায়হানের গল্প “সময়ের প্রয়োজনে” থেকে নেয়া। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লেখা এই গল্পে কী সুনিপুণভাবে তুলে ধরেছেন সেই রক্তঝরা দিনগুলোর দৃশ্যকাব্য! এমনই সহজ, সাবলীল ও কাব্যময় উপস্থাপনায় চিরঞ্জীব তাঁর গল্প, উপন্যাস এবং চলচ্চিত্র। তিনি জহির রায়হান, আমাদের জহির রায়হান, বাঙালির জহির রায়হান। তাঁর হাত ধরেই আমাদের চলচ্চিত্র প্রবেশ করেছে রেঁনেসায়, তাঁর লেখনির ছোঁয়ায় আমাদের সাহিত্য পেয়েছে আবহমান বাংলার মাটির সুর। তিনি একাধারে খ্যাতিমান ছোট গল্পকার, ঔপন্যাসিক, ভাষা সৈনিক, সাংবাদিক, রাজনৈতিক কর্মী, চলচ্চিত্রকার ও শহীদ বুদ্ধিজীবী। তিনি মূলত মধ্যবিত্ত জীবনের রূপকার। চারপাশের মানুষের সুখ-দুঃখ ও আনন্দ-বেদনার চিত্র তাঁর রচনাকে করেছে সমৃদ্ধ, চলচ্চিত্রে দিয়েছে প্রাণ। সমাজের নানা বৈষম্য ও অসঙ্গতির বিরুদ্ধেও তাঁর কণ্ঠ ছিল বলিষ্ঠ।

জন্ম, ছেলেবেলা, শিক্ষাজীবন ও রাজনীতি

জহির রায়হান ১৯৩৫ সালের ১৯ আগস্ট ফেনী জেলার মজুপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর আসল নাম মোহাম্মদ জহিরুল্লাহ। তিনি কলকাতার মিত্র ইন্সটিউট আলিয়া মাদ্রাসায় প্রাথমিক লেখাপড়া করেন। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর তিনি তাঁর পরিবারের সাথে বাংলাদেশে (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) ফিরে আসেন। ১৯৫০ সালে ফেনীর আমিরাবাদ হাইস্কুল থেকে মেট্রিক ও ১৯৫৩ সালে জগন্নাথ কলেজ, ঢাকা (বর্তমানে জগ্ননাথ বিশ্ববিদ্যালয়) থেকে আইএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহন করেন। ১৯৫২ সালে প্রমথেশ বড়ুয়া মেমোরিয়াল ফটোগ্রাফি স্কুলে (কলকাতা) ভর্তি হন। মেডিক্যাল কলেজে (১৯৫৬-৫৮) ভর্তি হয়েও, চিকিৎসাশাস্ত্রের কোর্স শেষ না করেই কলেজ ত্যাগ করেন। ১৯৫৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বিএ (অনার্স) ডিগ্রী লাভ করেন। তিনি ব্যক্তিগত জীবনে দু’বার বিয়ে করেন: ১৯৬১ সালে সুমিতা দেবীকে এবং ১৯৬৬ সালে তিনি সুচন্দাকে বিয়ে করেন, দুজনেই ছিলেন সে সময়কার বিখ্যাত চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

১৯৪৯ সালে কলকাতার নতুন সাহিত্য পত্রিকা থেকে ওদের জানিয়ে দাও নামে প্রথম কবিতা প্রকাশিত হয়। ১৯৫৫ সালে তাঁর প্রথম গল্পগ্রন্থ সূর্য গ্রহণ ও ১৯৬০ সালে প্রথম উপন্যাস শেষ বিকেলের মেয়ে প্রকাশিত হয়।

১৯৫৪ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি: কলাভবন শীর্ষে কালো পতাকা উত্তোলনের পর কলাভবন প্রাঙ্গণে নির্মিত শহীদ স্মৃতিস্তম্ভের সামনে ভাষা আন্দোলনের কর্মিগণ (ডান দিক থেকে, আলাউদ্দিন আল-আজাদ, আমানুল হক, আহসানুল হক, মূর্তাজা বশীর, জহীর রায়হান প্রমুখ)।

১৯৫২ সালে ছাত্র অবস্থাতেই মহান ভাষা আন্দোলনে অংশগ্রহন করেন এবং নাম পরিবর্তন করে মোহাম্মদ জহিরুল্লাহ থেকে জহির রায়হানে পরিণত হন। ১৯৫১-৫৭ সাল পর্যন্ত তিনি কমিউনিস্ট পার্টির সাথে সরাসরি জড়িত ছিলেন।

কর্মজীবন

সাহিত্যিক ও সাংবাদিক হিসেবে তিনি কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৫০ সালে যুগের আলো পত্রিকার মাধ্যমে সংবাদ জগতে প্রবেশ করেন। পরবর্তীতে তিনি খাপছাড়া, যান্ত্রিক, সিনেমা ইত্যাদি পত্রিকাতেও কাজ করেন। ১৯৫৬ সালে তিনি সম্পাদক হিসেবে প্রবাহ পত্রিকায় যোগ দেন। এছাড়া তিনি ছাত্রজীবন থেকেই ইংরেজী সাপ্তাহিক এক্সপ্রেসের সম্পাদনা ও প্রকাশনার সাথে জড়িত ছিলেন। চলচ্চিত্র জগতে তার পদার্পণ ঘটে ১৯৫৭ সালে, জাগো হুয়া সাবেরা ছবিতে সহকারী হিসেবে কাজ করার মাধ্যমে। তিনি সালাউদ্দীনের ছবি যে নদী মরুপথেতেও সহকারী হিসেবে কাজ করেন। প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক এহতেশাম তাকে এ দেশ তোমার আমার এ কাজ করার আমন্ত্রণ জানান; জহির রায়হান এ ছবির নামসঙ্গীত রচনা করেছিলেন। ১৯৬০ সালে তিনি রূপালী জগতে পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন কখনো আসেনি চলচ্চিত্রের মাধ্যমে। ১৯৬৪ সালে তিনি পাকিস্তানের প্রথম রঙিন চলচ্চিত্র সঙ্গম নির্মাণ করেন (উর্দু ভাষার ছবি) এবং পরের বছর তার প্রথম সিনেমাস্কোপ চলচ্চিত্র বাহানা মুক্তি দেন। জহির রায়হান ভাষা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন এবং ২১শে ফেব্রুয়ারির ঐতিহাসিক আমতলা সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন। ভাষা আন্দোলন তার ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছিল, যার ছাপ দেখতে পাওয়া যায় তার বিখ্যাত চলচ্চিত্র জীবন থেকে নেওয়াতে। তিনি ১৯৬৯ সালের গণ অভ্যুত্থানে অংশ নেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি কলকাতায় চলে যান এবং সেখানে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে প্রচারাভিযান ও তথ্যচিত্র নির্মাণ শুরু করেন। কলকাতায় তার নির্মিত চলচ্চিত্র জীবন থেকে নেওয়ার বেশ কয়েকটি প্রদর্শনী হয় এবং চলচ্চিত্রটি দেখে সত্যজিত রায়, মৃণাল সেন, তপন সিনহা এবং ঋত্বিক ঘটক প্রমুখ ভূয়সী প্রশংসা করেন। সে সময়ে তিনি চরম অর্থনৈতিক দৈন্যের মধ্যে থাকা সত্ত্বেও তার চলচ্চিত্র প্রদর্শনী হতে প্রাপ্ত সমুদয় অর্থ তিনি মুক্তিযোদ্ধা তহবিলে দান করে দেন।

সাহিত্যকর্ম

জহির রায়হানের প্রকাশিত উপন্যাস শেষ বিকেলের মেয়ে (১৯৬০), হাজার বছর ধরে (১৯৬৪), আরেক ফাল্গুন (১৯৬৮), বরফ গলা নদী (১৯৬৯) এবং আর কত দিন (১৯৭০)।

শেষ বিকেলের মেয়ে (১৯৬০)

শেষ বিকেলের মেয়ে (১৯৬০) – রোমান্টিক প্রেমের এই উপন্যাসটি জহির রায়হানের প্রকাশিত প্রথম উপন্যাস। এটি সন্ধানী প্রকাশনী থেকে বের হয়।

হাজার বছর ধরে (১৯৬৪)

হাজার বছর ধরে (১৯৬৪) –আবহমান বাংলার জীবন ও জনপদ এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য বিষয়। নদী তীরবর্তী প্রকৃতির কোলে উপন্যাসের পাত্র-পাত্রী বিকশিত। এর ভাষা কাব্যিক, গতিশীল ও সুখপাঠ্য। উপন্যাসের নায়িকা টুনি একমাত্র জীবন্ত চরিত্র, আর সবই যেন মৃত ও বিবর্ণ।

বইটির ডাউনলোড লিংক

হাজার বছর ধরে উপন্যাস অবলম্বনে কহিনুর আক্তার সুচন্দা পরিচালিত হাজার বছর ধরে চলচিত্রের টরেন্ট ডাউনলোড লিংক

আরেক ফাল্গুন (১৯৬৮)

আরেক ফাল্গুন (১৯৬৮) – বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলন ও ১৯৫৫ সালে ২১ ফেব্রুয়ারি পালনের অভিজ্ঞতায় জহির রায়হান আরেক ফাল্গুন (১৯৬৮) উপন্যাস রচনা করেন। মুনিম, আসাদ, রসুল, সালমা চরিত্রের মতো অন্যান্য চরিত্র ইতিহাস অনুমোদিত। ১৯৫৫ সালে বর্তমান শহীদ মিনারের স্থায়ী ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ হয়ে ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত চলমান আন্দোলন, জনতার সম্মিলন, ছাত্র-ছাত্রীদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহন, তাদের প্রেম-প্রণয় ইত্যাদী উপন্যাসটির মূল বিষয়। তাদের বিশ্বাস জনতার প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ আগামীর ফাল্গুনে আরও প্রবল হবে। তাই তাদের উচ্চারন :আসছে ফাল্গুনে আমরা দ্বিগুন হবো।

বরফ গলা নদী (১৯৬৯)

বরফ গলা নদী (১৯৬৯) – অর্থনৈতিক কারণে বিপর্যস্ত ক্ষয়িষ্ণু মধ্যবিত্ত পরিবারের অসহায়ত্ব গাঁথা এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য বিষয়। উপন্যাসটি ‘উত্তরণ’ সাময়িকীতে ১৯৬৯ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।

বইটির ডাউনলোড লিংক

আর কত দিন (১৯৭০)

আর কত দিন (১৯৭০) – যুদ্ধকালীন বাস্তবতা, লাঞ্ছিত মানবতার আর্তি ও শান্তির স্বপক্ষে জোরালো আবেদন নিয়ে জহির রায়হানের আর কত দিন উপন্যাসটি ১৯৭০ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। উপন্যাসটির কাহিনি সংঘটনের বিস্তারিত বর্ণনা, কাহিনি শুরুর কোনো স্থান কাল নির্দেশ না থাকলেও গ্রন্থটির প্রকাশকাল ও ঘটনা বিন্যাসের আলোকে বুঝতে পারা যায় যে মুক্তিযুদ্ধ-পূর্ব সময়ের অস্থির সামাজিক রাজনৈতিক আন্দোলনমুখর প্রেক্ষাপটে আসন্ন যুদ্ধের একটি ভয়াবহ সম্ভাবনা লেখকের হৃদয়ে উদয় হয়েছিল। শান্তি ও ভালোবাসার জন্য মানুষের চিরন্তন অন্বেষা উপন্যাসটির মূল উপজীব্য। আর উপন্যাসটির চরিত্র ইভা ও তপু শাশ্বত শান্তি ও ভালোবাসার মূর্ত প্রতীক হয়ে ওঠে।
বইটির ডাউনলোড লিংক

গল্পগ্রন্থ তৃষ্ণা (১৯৬২)


গল্প সমগ্র

বইটির ডাউনলোড লিংক

কয়েকটি মৃত্যু (১৯৭৫)


একুশে ফেব্রুয়ারি (১৯৭০)

বইটির ডাউনলোড লিংক

 

জহির রায়হানের অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কয়েকটি গ্রন্থ – সূর্যগ্রহণ (১৯৫৫ সালে প্রকাশিত, প্রথম গল্প গ্রন্থ), তৃষ্ণা (১৯৬২), একুশে ফেব্রুয়ারি (১৯৭০), কয়েকটি মৃত্যু (১৯৭৫), গল্প সমগ্র ইত্যাদী।

চলচ্চিত্র

জহির রায়হান পরিচালিত চলচ্চিত্রসমূহ হচ্ছে :

কখনো আসেনি (১৯৬১), সোনার কাজল (১৯৬২), কাঁচের দেয়াল (১৯৬৩), সঙ্গম (১৯৬৪), বাহানা (১৯৬৫), আনোয়ারা (১৯৬৭), বেহুলা (১৯৬৬), দুই ভাই (১৯৬৮), জীবন থেকে নেয়া (১৯৭০), জ্বলতে সূরযকে নীচে, লেট দেয়ার বি লাইট (অসমাপ্ত) (১৯৭০), স্টপ জেনোসাইড (১৯৭১), এ স্টেট ইজ বর্ন (১৯৭১), বার্থ অব এ নেশোন (১৯৭১), লিবারেশন ফাইর্টার্স (১৯৭১ – প্রযোজিত), ইনোসেন্ট মিলিয়নস (১৯৭১ – প্রযোজিত )।

ঘড়ির কাঁটার দিক অনুসারে সঙ্গম, সোনার কাজল, বেহুলা, কাঁচের দেয়াল, জীবন থেকে নেয়া এবং কখনো আসেনি।

কখনো আসেনি (১৯৬১) – জহির রায়হান পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র। অভিনয় করেছেন সুমিতা দেবী,খান আতাউর রহমান, প্রমুখ।

সোনার কাজল (১৯৬২) – কলিম শরাফীর সাথে যৌথভাবে পরিচালিত। অভিনয় করেছেন সুমিতা দেবী, প্রমুখ।

কাঁচের দেয়াল ছবির একটি দৃশ্য

কাঁচের দেয়াল ছবির একটি গান – শ্যামল বরণ মেয়েটি

কাঁচের দেয়াল (১৯৬৩)- চিত্রনাট্য লিখেছেন জহির রায়হান। অভিনয় করেছেন সুমিতা দেবী, আনোয়ার হোসেন, খান আতাউর রহমান, প্রমুখ।

সঙ্গম (১৯৬৪)

সঙ্গম (১৯৬৪) -মুক্তি পায় ২৩ এপ্রিল, ১৯৬৪। পাকিস্তানের প্রথম রঙিন চলচ্চিত্র। চিত্রনাট্য লিখেছেন জহির রায়হান। অভিনয় করেছেন হারুন, খলিল ও রোজী সামাদ প্রমুখ।

বাহানা (১৯৬৫)

বাহানা (১৯৬৫) – মুক্তি পায় ১৬ এপ্রিল, ১৯৬৫। অভিনয় করেছেন কবরী, রহমান ও গরজ বাবু, প্রমুখ।

বেহুলা ছবির গান- নাচে মন ধিনা ধিনা

বেহুলা (১৯৬৬) – রাজ্জাক, সুচন্দা প্রমুখ

বেহুলা ছবির টরেন্ট ডাউনলোড লিংক

জীবন থেকে নেয়া (১৯৭০)

জীবন থেকে নেয়া (১৯৭০) – এটি জহির রায়হান নির্মিত শেষ কাহিনী চিত্র। সামাজিক এই চলচ্চিত্রে তৎকালীন বাঙালি স্বাধীনতা আন্দোলনকে রূপকের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। ছবিটির শ্লোগান ছিল :

একটি দেশ

একটি সংসার

একটি চাবির গোছা

একটি আন্দোলন

একটি চলচ্চিত্র…

গান- এ খাঁচা ভাঙবো আমি

গান- আমার সোনার বাংলা

গান- কারার ঐ লৌহ কপাট

ছবিটিতে অভিনয় করেছেন রাজ্জাক,সুচন্দা, রোজী,খান আতাউর রহমান,রওশন জামিল,আনোয়ার হোসেন,প্রমুখ। এই ছবিতে আমার সোনার বাংলা গানটি চিত্রায়িত হয়েছিল, যা পরবর্তীকালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে স্বীকৃতি লাভ করে। জীবন থেকে নেয়া ছবির সংগীত পরিচালনা করেন বাংলাদেশের বিখ্যাত সংগীত পরিচালক ও সংগীত শিল্পী খান আতাউর রহমান। এবং রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর এর রবিন্দ্র সংগীত ও কাজী নজরুল ইসলাম এর নজরুল সংগীত থেকে কয়েকটি বিখ্যাত গান গল্পের প্রয়োজনে নেয়া হয়েছিল।

জীবন থেকে নেওয়া’র টরেন্ট ডাউনলোড লিংক

স্টপ জেনোসাইড প্রামাণ্য চিত্রের একটি দৃশ্য

স্টপ জেনোসাইড (১৯৭১)-স্টপ জেনোসাইড বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের উপর নির্মিত একটি প্রামাণ্য চলচ্চিত্র। ইংরেজি “স্টপ জেনোসাইড” শব্দগুচ্ছের অর্থ “বন্ধ কর গণহত্যা”। জহির রায়হান বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে ১৮ মিনিট দৈর্ঘ্যের এই তথ্যচিত্রটি তৈরি করেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ভারতে আশ্রয়গ্রহণকারী বাঙালীদের দুঃখ-দুর্দশা,হানাদার পাকিস্তানী সামরিক বাহিনীর হত্যাযজ্ঞ,ভারতে বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের দিনকাল প্রভৃতি এই তথ্যচিত্রে তুলে ধরা হয়েছিল।

জহির রায়হান একাত্তরের এপ্রিল-মে মাসের দিকে এই তথ্যচিত্র তৈরির পরিকল্পনা করেন। তিনি বিশ্বাস করতেন চলমান গণহত্যা ও মানবতার লাঞ্ছনার বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী জনমত তৈরি করার জন্য প্রামাণ্য চলচ্চিত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সহকারী আলমগীর কবিরকে সাথে নিয়ে তিনি স্টপ জেনোসাইডের কাজ শুরু করেন। তথ্যচিত্রে জহির রায়হান চেয়েছিলেন আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে যুদ্ধের রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে পাকিস্তানী সামরিক বাহিনীর ধ্বংসযজ্ঞ, গণহত্যা,শরণার্থীদের দুরবস্থা আর স্বাধীনতা সংগ্রামের দিকটা বেশী করে তুলে ধরতে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য বিশ্বব্যাপী জনমত তৈরি করার ক্ষেত্রে ‘স্টপ জেনোসাইড’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রেখেছিলো। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে এখন পর্যন্ত নির্মিত ছবিগুলোর মধ্যে শিল্পগত ও গুণগত সাফল্যের দিক থেকে এই চলচ্চিত্রটিকে শীর্ষে স্থান দেয়া হয়ে থাকে।

স্টপ জেনোসাইডের টরেন্ট ডাউনলোড লিংক

পুরস্কার

আদমজী সাহিত্য পুরস্কার, ১৯৬৪ – হাজার বছর ধরে উপন্যাসের জন্য।

নিগার পুরস্কার – কাঁচের দেয়াল চলচ্চিত্রের জন্য শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র হিসেবে।

বাংলা একাডেমী পুরস্কার ১৯৭১ – উপন্যাস : মরণোত্তর

একুশে পদক ১৯৭৭ -চলচ্চিত্র : মরণোত্তর

স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার ১৯৯২ – সাহিত্য : মরণোত্তর

অন্তর্ধান ও মৃত্যু

জহির রায়হান দেশ স্বাধীন হবার পর তার নিখোঁজ ভাই, প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক শহীদুল্লাহ কায়সারকে খুঁজতে শুরু করেন,যিনি স্বাধীনতার ঠিক আগমুহূর্তে পাকিস্তানী আর্মির এদেশীয় দোসর আল বদর বাহিনী কর্তৃক অপহৃত হয়েছিলেন। ১৯৭২ সালের ৩০ জানুয়ারী জহির রায়হান ভাইয়ের সন্ধানে মিরপুরে যান এবং সেখান থেকে আর ফিরে আসেননি। মিরপুর ছিল ঢাকা থেকে কিছুটা দূরে অবস্থিত বিহারী অধ্যুষিত এলাকা এবং এমন প্রমাণ পাওয়া গেছে যে সেদিন বিহারীরা ও ছদ্মবেশী পাকিস্তানী সৈন্যরা বাংলাদেশীদের ওপর গুলি চালালে তিনি নিহত হন।

সূত্র : উইকিপিডিয়া, ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর

13 comments on “জহির রায়হান

  1. আদনান
    মার্চ 23, 2011

    “জীবন থেকে নেয়া” – ছবিটা যতবার দেখি ততবারই নতুন লাগে। খুব অবাক লাগে যে চল্লিশ বছর আগে বানানো কাহিনীটি এখনো আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটের সাথে দারুণভাবে মানিয়ে যায়। সেই সময়টা ছিল পাকিস্তানীদের শোষণের সময়, আর এখন আমাদের নিজেদের লোকেরা আমাদের শোষণ করে।

    Like

  2. Taufique Hassan (তৌফিক)
    মার্চ 28, 2011

    দারুন একটা কাজ করস।জহির রায়হানের উপর মোটামুটি কমপ্লিট একটা লেখা হইসে। সময় সময় শেয়ার দেয়া যাবে। স্টপ জেনোসাইড দেখা হয়নি। লিঙ্ক দিলা, দেখে নিব।

    অনেক দিন পর পোষ্ট দিলা। তোমারে অনেক মিস করসি এত দিন।

    Like

    • তৌফিক ভাই, এই পোস্টটা ই-বুকের জন্য লিখছিলাম। আমার ইচ্ছে আছে, পারলে সবগুলো বই আর সিনেমার ডাউনলোড লিংক এড করে দিব এই পোস্টে। আজকে আরও কয়েকটি লিংক খুঁজে পেয়েছি🙂

      আপনাদেরকে আমিও খুব মিস করেছি। এখন থেকে আবার নিয়মিত ব্লগিং করব।
      শুভ দুপুর🙂

      Like

  3. wahedsujan
    এপ্রিল 23, 2011

    মেটোমুটি সবগুলা বই পড়া। অনেকগুলো মুভিই দেখি নাই। সময় করে দেখতে হবে।
    দারুন একটা কাজ করলেন।
    শুভ কামনা।

    Like

  4. সামহোয়্যার ইন ব্লগে পোস্টটি দুর্ঘটনাবশত মুছে যাওয়ায়, গুগল ক্যাশ থেকে পোস্টটি উদ্ধার করে মন্তব্যগুলো এখানে তুলে দিলাম।

    ১.
    ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৪:০০
    মাহী ফ্লোরা বলেছেন: চমৎকার একটি পোষ্ট।প্রয়োজনীয় বটে…….

    ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৪:৪২
    লেখক বলেছেন: থ্যাংকস আপা

    ২.
    ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৪:১০
    মেঘ রোদ্দুর বলেছেন: খুব ভালো লাগল

    ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৫:১০
    লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ

    ৩.
    ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৪:৪৯
    ঝটিকা বলেছেন: তথ্যবহুল পোস্ট। খুবই ভালো লাগলো।

    ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৫:১২
    লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ
    ভালো থাকবেন। শুভেচ্ছা

    ৪.
    ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৫:১১
    নাআমি বলেছেন: চমৎকার পোস্ট!! অসাধারন!!

    ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৫:২৭
    লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ। শুভ সন্ধ্যা

    ৫.
    ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:০৩
    ডেইফ বলেছেন:
    বরফ গলা নদী’টা যে কতবার পড়েছি।
    এখনো সময় পেলে বইটা নিয়ে বসে পড়ি।

    জহির রায়হানকে নিয়ে বেশ তথ্যসমৃদ্ধ পোস্ট লিখেছেন আমিনুল ভাই।
    অনেক ভাল লাগলো।

    ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৩৫
    লেখক বলেছেন: কৃতজ্ঞতা দাইফ ভাই। ই-বুকের জন্য জহির রায়হানের জীবনী প্রয়োজন ছিল, তাই সংকলন করে ফেললাম। বেশির ভাগই উইকিপিডিয়া থেকে নেয়া

    ৬.
    ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:০৬
    অদ্ভুত একাকি বলেছেন: চমৎকার একটি পোষ্ট। অনেক ভাল লাগলো।

    ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৮:০৫
    লেখক বলেছেন: অনেক কৃতজ্ঞতা ভাই। শুভ কামনা

    ৭.
    ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:২৯
    বৃষ্টি ভেজা সকাল বলেছেন: অনেক কিছুই জানার আছে।

    ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৮:২৮
    লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই

    ৮.
    ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৮:১৬
    ফাইরুজ বলেছেন: অনেক তথ্যসমূদ্ধ ও উপকারী পোস্ট,+++

    ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১০:০৩
    লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন। শুভ রাত্রী

    ৯.
    ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১:০১
    শূণ্য উপত্যকা বলেছেন: ভাল লাগল অনেক জহির রায়হান সম্পর্কে জেনে।

    ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ২:০৯
    লেখক বলেছেন: অনেক কৃতজ্ঞতা শূণ্যদা। শুভ রাত্রি

    ১০.
    ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৩:১৮
    এম চৌধুরী বলেছেন: এরকম পোস্ট বেশি থাকা দরকার ব্লগে। কিন্তু ফাউল পোস্টের ছড়াছড়ি…
    আপনাকে সেলাম!

    ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ ভোর ৪:৩০
    লেখক বলেছেন: অনেক কৃতজ্ঞতা এম চৌধুরী ভাই। শুভ রাত্রি।

    ১১.
    ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ ভোর ৪:৪০
    আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেছেন: খুবই ভালো পোষ্ট। অনেক ধন্যবাদ।

    ১২.
    ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ ভোর ৪:৪০
    আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেছেন:
    ভাইডি, ভালো আছেন আশা করছি।
    নিরন্তর শুভকামনা।

    ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ দুপুর ২:৩৯
    লেখক বলেছেন: কৃতজ্ঞতা মনসুর ভাই। জ্বি, ভালো আছি। আশা করছি, আপনিও ভালো আছেন। অনেক ভালো থাকবেন

    ১৩.
    ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ ভোর ৫:২১
    ফাহাদ চৌধুরী বলেছেন: ‘রাইফেলটা কাঁধে তুলে নিয়ে ছোট্ট টিলাটার ওপরে এসে দাঁড়াই। সামনে তাকাই। বিরাট আকাশ। একটা লাউয়ের মাচা। কচি লাউ ঝুলছে। বাতাসে মৃদু দুলছে। কয়েকটা ধানক্ষেত। দুটো তালগাছ। দূরে আর একটা গ্রাম…….’

    এই লাইন গুলোর রিপিটেশন প্রচন্ড টাচি!! বেশ ভাল লেগেছিল “সময়ের প্রয়োজনে” !! আমি ক্লাস নাইনেই পড়ে ছিলাম প্রথম টেক্সট বইয়ে!! আমাদের কোর্সে সম্ভবত ছিল না গল্পটা!!

    এক জহীর রায়হান যদি সেইদিন বুদ্ধিজীবি হত্যার পরিকল্পনা থেকে বেচে যেতেন হয়তো দেশের ইতিহাস আজ অন্যরকম হত!!

    চমৎকার পোষ্ট!!

    ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৩:০৭
    লেখক বলেছেন: সুন্দর মন্তব্যের জন্য অনেক কৃতজ্ঞতা ভাই। তাঁর সবগুলো গল্পই অন্যরকম, নাটকীয় উপস্থাপন আর কাব্যময় সংলাপ আমাকে খুব টানে।
    আবারো ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ভালো থাকবেন। শুভ দুপুর।

    ১৪.
    ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৩:৩৩
    সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
    খুব সুন্দর একটা পোষ্ট আমিনুল।

    খুব ভালো লাগলো জহির রাহানকে নিয়ে লেখা। বরফ গলা নদী,শেষ বিকেলের মেয়ে ………..মনে পড়ে গেলো।
    এত ভালো লাগতো পড়তে।শ্রদ্ধা উনার জন্য।

    শুভকামনা তোমার জন্য।

    ১৫.
    ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৩:৩৪
    সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
    *জহির রায়হান হবে।

    ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১২:১৮
    লেখক বলেছেন: আপনিও ভালো থাকবেন আপা। শুভ কামনা নিরন্তর

    ১৬.
    ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১:০১
    নাআমি বলেছেন: খুবই ভাল, কাজের পোস্ট….।
    ধন্যবাদ……

    ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:০৮
    লেখক বলেছেন: অনেক কৃতজ্ঞতা ও শুভ কামনা
    অনেক ভালো থাকবেন।

    ১৭.
    ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ৭:৩৭
    শোশমিতা বলেছেন: চমৎকার পোষ্ট !!!
    ভালো লাগলো +

    ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:২২
    লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
    অনেক ভালো থাকবেন

    ১৮.
    ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৪৩
    কাঊসার রুশো বলেছেন: এ পোস্টটি পেয়ে আমি কিছু বলার ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। এত সমৃদ্ধ পোস্ট!
    স্যালুট আমিনুল ভাই।
    অনেক অনেক অনেক ভালো থাকুন ।

    সিনেমার ছবিগুলোর জন্য স্পেশাল থ্যাংকস

    আপনার মুভিবিষয়ক পোস্টগুলো কাইন্ডলি সিনেমাখোর গ্রুপে দিয়ে দিবেন প্লিজ।

    ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:২৮
    লেখক বলেছেন: আপনার কমেন্টস পেয়ে খুব ভালো লাগছে। এটাকে মুভি পোস্ট বলা যায় কি না, বুঝতে পারছি না।

    সিনেমাখোরে কীভাবে দিতে হয়, জেনে দিয়ে দিব

    ভালো থাকবেন রুশো ভাই। শুভেচ্ছা

    ১৯.
    ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৮:২৭
    শায়মা বলেছেন: অনেক কিছু জানা হলো আর অনেক অনেক ভালো লাগলো আমিনুলভাই।
    ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:৪১
    লেখক বলেছেন: ভালো থাকবেন শায়মা আপা

    ২০.
    ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৯:২৩
    জুন বলেছেন: অসাধারন একটা পোষ্ট আমিনুল। কত অজানা তথ্য জানতে পারলাম এই কালজয়ী ঔপন্যাসিক + পরিচালকের জীবন সম্পর্কে।
    কিন্ত তার মৃত্যুটা সত্যি কষ্টকর, মেনে নেয়া কঠিন।
    সাবলীল বর্ননায় সহজ সরল ভাষায় লিখেছো ।
    অনেক ভালোলাগলো।

    ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:৪৬
    লেখক বলেছেন: সহমত আপা। তার অকাল শাহাদত আমাদের সাহিত্য ও চলচ্চিত্রের জন্য অপূরনীয় ক্ষতির সৃষ্টি করেছে।

    ২১.
    ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ দুপুর ২:৩৫
    রিতা ইসলাম বলেছেন: অনেক কিছু জানলাম ।

    ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:৫১
    লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন

    ২২.
    ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৪:৪০
    নিভৃত নয়ন বলেছেন: সরাসরি প্রিয়তে।

    ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:১৪
    লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা নয়ন ভাই

    ২৩.
    ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ১০:৫৬
    মেঘ বলেছে যাবো যাবো বলেছেন: ভালো লাগলো লেখাটা। খুবই ইনফরমেটিভ। শেয়ার করার জন্য থ্যাঙ্কস আমিনুল।
    জহির রায়হানের প্রতি শ্রদ্ধা…

    ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৩১
    লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপা।
    জহির রায়হানের প্রতি শ্রদ্ধা..

    ২৪.
    ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৮:৫১
    সকাল রয় বলেছেন:
    আমি জহির রায়হান সম্পর্কে খুব কমই জানতাম। কিন্তু আপনার পোষ্ট পড়ার পর অনেক কিছু জানলাম। আপনি অনেক তথ্য দিয়েছেন সেই সাথে ছবি. ধন্যবাদ

    ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৪১
    লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ সকাল ভাই। শুভেচ্ছা।

    ২৫.
    ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১:০৮
    সায়েম মুন বলেছেন: জহির রায়হান সম্পর্কে বেশ সমৃদ্ধ পোষ্ট। অনেক কিছু জানা হলো।

    ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৮:৫৩
    লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। শুভ কামনা

    ২৬.
    ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৩৯
    জিসান শা ইকরাম বলেছেন:
    অনেক তথ্য বহুল একটি পোষ্ট।
    জহীর রায়হান নিজেই একটা ইতিহাস।
    ওনার স্টপ জেনোসাইড প্রামাণ্য চিত্রের কোন লিংক আছে ? থাকলে দয়া করে দিন।
    শুভকামনা ।

    ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৮:৫৫
    লেখক বলেছেন: জিসান ভাই, স্টপ জেনোসাইড ডাউনলোডের জন্য টরেন্ট সিড যোগ করে দিলাম

    অনেক ভালো থাকবেন। আপনার জন্যও শুভ কামনা

    ২৭.
    ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১০:৪৫
    আবদুল ওয়াহিদ বলেছেন:
    জটিল একটা পোষ্ট।
    জহির রায়হানের মোটামুটি সব গল্প-উপন্যাস পড়া হয়েছে।
    কিন্তু মুভি কিছু বাদ আছে। সব মুভি মনে হয় ডিভিডি-তে পাওয়া যায়।।

    ২৮.
    ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১০:৪৮
    আবদুল ওয়াহিদ বলেছেন:
    পাওয়া যায় না হবে।

    এখনো আসেনি (১৯৬১), , কাঁচের দেয়াল (১৯৬৩), সঙ্গম (১৯৬৪), বাহানা (১৯৬৫), বেহুলা (১৯৬৬), দুই ভাই (১৯৬৮), জীবন থেকে নেয়া – এইগুলো মনে হয় বসুন্ধরা সিটিতে ডিভিডি-র দোকানে দেখেছি।।

    ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১০:৩৫
    লেখক বলেছেন: গল্প ও উপন্যাস আমারও কিছু কিছু পড়া আছে। তবে সবগুলো সিনেমা দেখা হয় নি। সামনে সময় করে দেখে নেব ভাবছি

    অনেক ধন্যবাদ কবি।

    ২৯.
    ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১২:৫৫
    কাঊসার রুশো বলেছেন: পোস্ট এডিট অপশনে গিয়ে নীচে দেখবেন গ্রুপ সেটিংস। সেখানে গিয়ে সিনেমাখোর গ্রুপ সিলেক্ট করে দিন। তার আগে অবশ্যই সিনেমাখোর গ্রুপে যোগ দিতে হবে।
    ধন্যবাদ।
    আপনার জহির রায়হানকে নিয়ে পোস্ট দেখে আমি বেশ অনুপ্রেরণা পাচ্ছি। আরেকজন গুনী নির্মাতাকে নিয়ে লেখা শুরু করেছি। তবে কবে শেষ করতে পারবো জানিনা।

    ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১০:৪১
    লেখক বলেছেন: সিনেমাখোরে পোস্ট দিয়ে দিয়েছি রুশো ভাই
    আর আপনি পোস্টটা অবশ্যই ২৪ তারিখের আগেই কমপ্লিট করবেন, এই অনুরোধ রইল

    ৩০.
    ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ দুপুর ২:২২
    আমি সুখ পাখি বলেছেন: অনেক ভালো লাগা একটা পোষ্ট। অনেক শুভেচ্ছা আপনাকে।

    ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১০:৪৪
    লেখক বলেছেন: অনেক কৃতজ্ঞতা সুখ পাখি ভাই। অনেক অনেক ভালো থাকবেন

    ৩১.
    ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৫:২৭
    মাগুর মাছ বলেছেন: অসাধারন লিখেছেন ভাই। জহির রায়হানের কয়েটা চলচিত্র আর উপন্যাস আমি দেখেছি/পড়েছি। জহির রায়হান সম্পর্কে এতকিছু জানানোর জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
    ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:২০
    লেখক বলেছেন: পুরনো একটা পোস্ট খুঁজে নিয়ে পড়েছেন দেখে, আমি যারপর নাই কৃতজ্ঞ ভাই। আপনাকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ। শুভ রাত্রি। অনেক ভালো থাকবেন

    ৩২.
    ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৩:৫৯
    ইসতিয়াক আহমদ আদনান বলেছেন: জহির রায়হানের সবগুলা লেখাই অসাধারণ।
    পোস্টটার জন্য অনেক ধন্যবাদ…

    ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৫:০১
    লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ আদনান ভাই। শুভেচ্ছা

    ৩৩.
    ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ১০:৩৮
    মুশতারী বলেছেন: ভিন্নধর্মী পোস্ট, ভালো লাগল অনেক।

    ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৩৫
    লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন

    ৩৪.
    ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ১১:১০
    সুরঞ্জনা বলেছেন: অসম্ভব সুন্দর তথ্যবহুল পোস্ট। জহির রায়হানের সম্পর্কে এভাবে আগে আর কেউ তুলে ধরেছেন , তা চখে পড়েনি। “হাজার বছর ধরে, বরফ গলা নদী, আর এক ফাল্গুন, একুশে ফেব্রুয়ারী ও অন্যান্য অনেক বই পড়েছি। অনেক অনেক প্রিয় লেখক ও চলচিত্রকার ছিলেন তিনি।
    আজো উনার অন্তর্ধান রহস্যের জাল ছিন্ন হলোনা এটাই দুঃখ।

    ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৩৬
    লেখক বলেছেন: আজো উনার অন্তর্ধান রহস্যের জাল ছিন্ন হলোনা এটাই দুঃখ। সহমত আপা।
    অনেক ভালো থাকবেন। শুভেচ্ছা।

    ৩৫.
    ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ২:০১
    মিরাজ is বলেছেন: একজন সত্যিকার দেশপ্রেমিক এবং চলচ্চিত্র বোদ্ধা । উনার অন্তর্ধান আমাদের চলচ্চিত্র কিংবা সাহিত্য জগতের অপুরনীয় ক্ষতি ।
    তথ্যবহুল পোষ্ট ।

    ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৩৯
    লেখক বলেছেন: কৃতজ্ঞতা মিরাজ ভাই। শুভ রাত্রি।

    ৩৬.
    ০৩ রা মার্চ, ২০১১ রাত ৮:২৯
    মাহী ফ্লোরা বলেছেন: আবার হারাইসেন?এই এক পোষ্ট কতদিন দেখবো?

    ০৪ ঠা মার্চ, ২০১১ বিকাল ৫:১৩
    লেখক বলেছেন: অনেক অনেক অপঠিত পোস্ট রয়ে গেছে ফলো লিস্টে, সাহস পাইতেছিনা পড়ার। ঐগুলো শেষ না করে, নতুন পোস্ট কেম্নে দেই আপা

    ৩৭.
    ১৩ ই মার্চ, ২০১১ রাত ১১:৪০
    সুরঞ্জনা বলেছেন: তোমাকে দেখিনা কেনো আমিনুল? ভালো আছ তো?

    ১৬ ই মার্চ, ২০১১ রাত ১:০০
    লেখক বলেছেন: আপা, ভালো আছি। আপনিও নিশ্চয় ভালো আছেন। ২০ তারিখের পর আবার নিয়মিত হব আশা করছি। শুভেচ্ছা।

    ৩৮.
    ১৪ ই মার্চ, ২০১১ রাত ৮:২০
    সৈয়দা আমিনা ফারহিন বলেছেন: “প্রথম প্রথম কাউকে মরতে দেখলে ব্যথা পেতাম। কেমন যেন দুর্বল হয়ে পড়তাম। কখনও চোখের কোণে একফোঁটা অশ্রুও হয়ত জন্ম নিত। এখন অনেকটা সহজ হয়ে গেছি। কী জানি, হয়ত অনুভূতিগুলো ভোঁতা হয়ে গেছে। তাই মৃত্যুর খবর আসে। মরা মানুষ দেখি। মৃতদেহ কবরে নামাই। পরক্ষণে ভুলে যাই..” ………….. কত শক্তিশালী লাইনগুলো..!!

    জহির রায়হানের হারিয়ে যাওয়াটা এখনো বুঝে উঠতে পারি না বা মেনে নিতে কষ্ট হয়। এজন্যে হয়তো তার আবেদনটা আরো বেশি।

    আমার জমজ ভাই দেখি অনেক জানেন..!! বুক রিভিউ কিভাবে করতে হয় আমি এখনো জানি না। আপনার পোস্ট পড়তে পড়তে শিখে যাব একদিন

    ১৬ ই মার্চ, ২০১১ রাত ১:০৩
    লেখক বলেছেন: জমজ ভাই কেমন আছেন? আমার রিভিউ পড়ে একজন মন্তব্য করেছিল, আম নাকি স্পয়লার লিখি
    কানে কানে বলি ভাইয়া, রিভিউ লেখার কোনো নিয়ম নাই। আপনি যাই লিখবেন বইটি সম্পর্কে, সেটিই রিভিউ। শুভ রাত্রি

    ৩৯.
    ২২ শে মার্চ, ২০১১ সকাল ১০:৫৬
    পাপতাড়ুয়া বলেছেন: আমিন ভাই, আমার টুপিটার জায়গা হবে আপনার টেবিলে?

    ২২ শে মার্চ, ২০১১ বিকাল ৫:৩১
    লেখক বলেছেন: নিশ্চয়ই পাপতাড়ুয়া ভাই

    ৪০.
    ২৩ শে মার্চ, ২০১১ রাত ২:৩২
    অ্যামাটার বলেছেন: জহির রায়হান যে কত বড় মাপের একজন সাহিত্যিক এবং কত বড় মাপের চলচ্চিত্রকার ছিলেন, সেইটা বোঝাগেছে তার অন্তর্ধানের পর। সমরেশ, সুনীলদের মানের সাহিত্যিক যেমন এপার বাংলায় নাই, তেমনই সত্যজিতের বিকল্পও এখানে নাই। কেননা, আমরা হারিয়েছি জহির রায়হানকে।

    ২৩ শে মার্চ, ২০১১ ভোর ৫:১৫
    লেখক বলেছেন: সহমত। জহির রায়হানকে অকালে হারানোর ফলে বাংলা সাহিত্য ও চলচ্চিত্রে যে ক্ষতি হয়েছে, তা অপূরনীয়। সাহিত্যের ক্ষেত্রে আরও তিন জনের নাম চলে আসে এই কাতারে; মুনীর চৌধুরী, শহীদুল্লাহ কায়সার এবং আনোয়ার পাশা।
    অনেক ধন্যবাদ। শুভ সকাল।

    ৪১.
    ২৩ শে মার্চ, ২০১১ বিকাল ৫:০৩
    আকাশ মামুন বলেছেন: এক সাথে জহির রায়হানকে পাওয়া গেল।

    ২৩ শে মার্চ, ২০১১ রাত ৮:০৫
    লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আকাশ মামুন ভাই। শুভেচ্ছা

    ৪২.
    ২৩ শে মার্চ, ২০১১ বিকাল ৫:৫০
    অ্যামাটার বলেছেন: হ্যাঁ, তা তো অবশ্যই। সাথে সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ আর সৈয়দ মুজতবা আলীরও নাম চলে আসে। আমি বলেছি স্বাধীনরাউত্তর সময়ের কথা। একটা বিরাট শূণ্যতা।

    ২৩ শে মার্চ, ২০১১ রাত ৮:০২
    লেখক বলেছেন: জ্বি অ্যামাটার ভাই, আমি স্বাধীনরাউত্তর সময় হিসেবেই বলেছিলাম। মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে তাঁদের শাহাদত বরণ অনেক বড় শূন্যতা সৃষ্টি করেছে আমাদের সাহিত্য অঙ্গনে।

    ৪৩.
    ২৩ শে মার্চ, ২০১১ রাত ১১:২৬
    দীপান্বিতা বলেছেন: জহির রায়হান সম্পর্কে জেনে ভাল লাগল ….ওঁনার সিনেমার কিছু ক্লিপিংস কি যোগ করা সম্ভব!

    ২৪ শে মার্চ, ২০১১ রাত ২:৪১
    লেখক বলেছেন: অবশ্যই সম্ভব দিদি। আমি চেষ্টা করছি
    শুভেচ্ছা

    ৪৪.
    ২৬ শে মার্চ, ২০১১ ভোর ৫:২৫
    ভিয়েনাস বলেছেন: তথ্যবহুল পোস্ট। খুবই ভালো লাগলো।
    জহির রায়হান বাংলা সাহিত্যের গর্ব।

    ২৭ শে মার্চ, ২০১১ ভোর ৬:৫০
    লেখক বলেছেন: সহমত ভিয়েনাস ভাই। জহির রায়হান বাংলা সাহিত্যের গর্ব।
    শুভ সকাল

    ৪৫.
    ২৭ শে মার্চ, ২০১১ সকাল ৭:৩৮
    মে ঘ দূ ত বলেছেন: পিডিএফ থেকে আজ পড়ছিলাম এইটা। অনেক ভালো লাগলো। তথ্যসমৃদ্ধ। তবে পিডিএফে ভিডিওগুলো পাইনি যেগুলো এখন শুনছি।
    অনেক ধন্যবাদ।

    ২৭ শে মার্চ, ২০১১ সকাল ১০:৩৫
    লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মে ঘ দূ ত ভাই।
    জ্বি, এগুলো পরে যোগ করেছি
    অনেক ভালো থাকবেন। শুভেচ্ছা

    ৪৬.
    ২৭ শে মার্চ, ২০১১ সকাল ৭:৫৬
    শায়েরী বলেছেন: Chomotkar likhesen… Vaiaa onar boigulor dwnlod kink hobe??bises kore borof gola nodi tar??

    ২৭ শে মার্চ, ২০১১ সকাল ৯:৩২
    লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।
    হাজার বছর ধরে, বরফ গলা নদী, একুশে ফেব্রুয়ারি; এই তিনটি বইয়ের ডাউনলোড লিংক খুঁজে পেলাম। যোগ করে দিয়েছি পোস্টে
    বাকিগুলো পেলে পর্যায়ক্রমে যোগ করে দিব ভাইয়া। শুভেচ্ছা নিরন্তর

    ৪৭.
    ২৮ শে মার্চ, ২০১১ দুপুর ১২:৪৪
    জুল ভার্ন বলেছেন: প্রিয় আমিনুল, ইদানীং ব্লগে তুমিও যেমন কম আসছো-তেমনি আমিও অনিয়মিত হয়ে গেছি।
    জহির রায়হান অন্তর্ধান রহস্য আজও উন্মোচণ করা গেলোনা-হয়ত কোনোদিনই উন্মোচিত হবেওনা। কারন ঐ অন্তর্ধান যদি ব্যাক্তি বিষেশের দ্বারা হতো-তাহলে এতো দিনে থলের বিড়াল বেড়িয়ে আসতো। কিন্তু তখনকার সামগ্রীক পরিস্থিতি বিবেচনা করলে বোঝা যায়-বিষয়টা ছিল পরিকল্পিত ইন্সটিটিউশনাল।
    জহির রায়হান সম্পর্কে অত্যন্ত তথ্যবহুল একটি পোস্ট দেয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাই সেই সংগে ২৭ নম্বর ভালো লাগলো জানালাম।
    ভালো থেকো।

    ২৮ শে মার্চ, ২০১১ বিকাল ৩:১০
    লেখক বলেছেন: বিষয়টা ছিল পরিকল্পিত ইন্সটিটিউশনাল।
    সহমত ভাইয়া। তাঁর অন্তর্ধান আমাদের সাহিত্য ও চলচ্চিত্রের জন্য অপূরনীয় ক্ষতি তৈরী করে গেছে।
    আপনিও অনেক ভালো থাকবেন। শুভেচ্ছা

    Like

  5. akashlina
    অগাষ্ট 20, 2011

    sob movie deka hyni ; sob boi pora hyni… tai bookmark kre raklam.

    thnx.

    Like

  6. Mayeen Rana
    নভেম্বর 30, 2011

    অনেক কষ্টসাধ্য পোস্ট

    Like

  7. চমৎকার পোষ্ট। আসলে এই ধরনের পোষ্ট লিখতে গেলে যে পরিমাণ কষ্ট ও সময় লাগে তা আমি বুঝতে পারি। আপনি অনেক কষ্ট করেছেন। ধন্যবাদ।

    গুনি মানুষের কথা প্রচার হলে আরো গুনি মানুষ আসে…।

    Like

আপনার মন্তব্য লিখুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

Information

This entry was posted on মার্চ 22, 2011 by in ফিচার.

নেভিগেশন

%d bloggers like this: